Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

কোলকোন্দ ইউনিয়নে আপনাকে স্বাগতম, কোলকোন্দ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের যে কোন সেবা পেতে- WhatsApp-01767511512, Email- milon595@gmail.com, udc5410@gmail.com


প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব ও তাদের জীবনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

2নং কোলকোন্দ ইউনিয়নের উল্লেখ্যযোগ্য  ব্যক্তিত্ব ও তাদের সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ 

এই উপজেলায় অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তির জন্ম হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখ্যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন


১. আমির উদ্দিন বসুনিয়াঃ আমির উদ্দিন বসুনিয়া উনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে আমপারা অনুবাদ করেন। এটি সম্ভবত কোরআনের প্রথম অনুবাদ। তিনি অত্র গংগাচড়া উপজেলার মটুকপুর গ্রামের অধিবাসী ছিলেন।

(সূত্র: রংপুর জেলার ইতিহাস; রংপুর জেলা প্রশাসন, ২০০০খ্রি.)


২. পীর মোহাম্মদ আলী (র.): পীর মোহাম্মদ আলী (র.) ১৮৩৯ খ্রিঃ গংগাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের তাকিয়া শরীফ গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি সুযোগ্য পিতা-মাতার হাতেই সম্পন্ন করে সে সময়ের মাইনর স্কুল পর্যমত্ম শিক্ষা লাভ করেন। কলকাতা আলিয়া মাদরাসায় আলিম পর্যমত্ম অধ্যায়ন করার পর তিনি ভারতের বিভিন্ন দরছে নিজামী মাদরাসায় পড়াশুনা করেন। লেখাপড়া অবস্থায় তিনি ভারতের শিলিগুড়ি জেলার রহমানপুর গ্রামের বিখ্যাত পীরে কামেল মাও. হাফিজ উদ্দিন র. এর বায়াত গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে মাও. হাফিজ উদ্দিন র. তাঁকে খেলাফত প্রদান করলে নিজ এলাকায় একটি খানকাহ স্থাপন করে কাদেরীয়াহ তরিকার শিক্ষা প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি নিজ বাড়িতে একটি দরসে নিজামী মাদরাসা স্থাপন করেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৪টি। তন্মধ্যে প্রসিদ্ধ হচ্ছে মোহাম্মাদী লাঠি, তাওহিদ, অনমত্ম প্রেম, ইষ্ঠদেব বা মুরশেদুস্ সালেকীন, মাযহাবে ইসলাম, তাহকিকাতে মাসায়েল, হেদায়েতের নূর, ভ্রামিত্ম ভঞ্জন, তাহকিকাতে মিলাদ, গুপ্ত ধন ও স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। তিনি ১৩১২ হিজারীর ১৭ জমাদিউস সানিতে (১৫-১২-১৮৯৪খ্রি.) সবাইকে কাঁদিয়ে আলস্নাহর সান্নিদ্ধে চলে যান।


৩. পীর আফজালুল হক র. (মৃ-1975খ্রিঃ): বাবা পীর কছিম উদ্দিন র. ও মা ফাতেমা বেগম। তিনি দেওবন্দ থেকে উচ্চতর ডিগ্রী গ্রহণ করেছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর পাকুড়িয়া শরীফে ইসলাম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন। তাঁর হাতে পাকুড়িয়া শরীফে প্রতিষ্ঠিত হয় হাই মাদরাসা, হাই স্কুল, ফাযিল মাদরাসা, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, হাফিজী-কওমী মাদরাসা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক ও বালিকা। তিনি রংপুর জেলা নিযামে ইসলামী পার্টির সভাপতি ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর দ্বিতীয় ছেলে সুজা মিয়া খেলাফতের দায়িত্ব পালন করেন।


৪. মোসত্মাফিজুর রহমান (খোকা) মাষ্টার (১৯২৮-৯৯খ্রি.): মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও শিক্ষাবিদ মোসত্মাফিজুর রহমান মহিপুর জমিদার বংশে জন্মগ্রহণ করেন। আবুলিয়া গ্রামে আদি নিবাস হলেও তিসত্মার ভাঙ্গনে বসতি গড়েন বর্তমান দক্ষিণ কোলকোন্দ গ্রামে। তিনি গংগাচড়া দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কোলকোন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর বাড়িতে একটি ছোট ক্যাম্প ছিল। তাঁরই নির্বাচিত যুবকরা ভারতে মুক্তিযোদ্ধার ট্রেনিং নিতে যেত। তিনি রংপুর জজ কোর্টের জুরি বোর্ডের সদস্য ছিলেন।


৫. মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ (মুক্তিযোদ্ধা)’র নিজস্ব বক্তব্যঃ আমি মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ, পিতা- মৃত হেছাব উদ্দিন পন্ডিত, প্রথমে সিতাই, টাপুর হাট ও মজিদ ক্যাম্পে ট্রেইনিং শেষে মিলিটারির গাড়িতে মোগল হাট ব্রীজের নিকট নামানো হয়। তারপর আমরা সাব&& ফুলবাড়ির বাজারের নিকট এক বাড়িতে ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। ওই রাতে পুরা নাগেশ্বরী এলাকার গাগলা বাজার, ভুরম্নঙ্গামারী, সোনার হাট, বান্দিয়ার চড়, কুড়িগ্রাম, ফেরীঘাট, পাটেশ্বরী, এলাকাগুলোতে যুদ্ধ করা হয়।

***যুদ্ধকালীন কমান্ডারের নাম সমূহঃ ১। মোঃ আজহার আলী প্রধান, ২। পস্নাটন কমান্ডার নাসির উদ্দিন মন্ডল, ৩। সেকশন কমান্ডার মোজাম্মেল মন্ডল।

***সহযোদ্ধাদের নামঃ ১। বায়তুলস্না আহাম্মদ, ২। আমির আলি, ৩। নূর ইসলামসহ আরো অনেকে।

***সেক্টর কমান্ডারঃ ১। খাদেমুল বাসার, ২। মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ৩। কর্নেল ফারম্নক হোসেন।

অস্ত্রের বর্ননাঃ রাইফেল নং ফোর মার্ক ওয়ান, নাম ক্যালিভার পয়েন্ট ৩০৩, শর্ট ম্যাগাজিন রাইফেল নং ফোর মার্ক ওয়ান অস্ত্র ব্যবহার করেছিলাম।